nagorikkantha

আকাশ-সড়ক-রেল ও নৌ পথকে নিরাপদ করার জন্য নিবেদিত সচেতন নাগরিকের জন্য ‘নিরাপদ পথ দিবস’ চাই। আর সেই দিবসটি যদি হয় বঙ্গবন্ধু ফুটবল লীগের খেলা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মিরসরাইর অর্ধশতাধিক কিশোর-এর মৃত্যুকে স্মরণিয় করে রাখার জন্য ‘নিরাপদ পথ দিবস’ বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবী। বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে নৌ দূর্ঘটনায়-লঞ্চ ডুবে হাজার হাজার লোক যেমন নির্মম মৃত্যু বরণ করে, রেলক্রসিংসহ বিভিন্ন স্থানে রেল দূর্ঘটনায় হাজার হাজার লোক মৃত্যু বরণ করে; সড়ক দূর্ঘটনায়ও প্রতি বছর ১০ হাজারেরও বেশিষ মানুষ মৃত্যু বরণ করে। এমন একটা পরিস্থিতিতে কাঁধে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অসংখ্য স্থানের মত বিরত তৈরি হওয়া সমস্যা সংকুল একটি রুট হচ্ছে টঙ্গী-ভৈরব-বাজিতপুর রেলপথ। এই রুটে গত এক বছরে ট্রেনে কাটা পড়ে ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভৈরব-টঙ্গী ও ভৈরব-বাজিতপুর রেলপথে ভৈরব রেলওয়ে থানার সীমানায় চলাচলকারী বিভিন্ন আন্তনগর, মেইল ও লোকাল ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই সব মানুষের মৃত্যু হয়। নিহতদের বেশির ভাগেরই পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ফলে ময়নাতদন্ত শেষে অজ্ঞাতপরিচয় বা বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করা হয় তাদের।

ট্রেনে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণই ওই সব ব্যক্তির মৃত্যুর প্রধানতম কারণ। ২০১৬ সালে ভৈরব রেলওয়ে থানার সীমানার ভেতর ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ৫৩ জন পুরুষ, ১৫ জন নারী ও তিনজন শিশুসহ মোট ৭১ ব্যক্তি মারা যান। এদের অধিকাংশেরই পরিচয় জানা যায়নি। যাত্রীদের অসতর্কতা, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ, দুই বগির সংযোগস্থলে বসা এবং দরজার হাতলে ঝুলন্ত অবস্থায় যাতায়াত করার ফলে এসব দুর্ঘটনা ঘটে বলে দাবি পুলিশের। ভৈরব রেলওয়ে থানার সীমানায় ভৈরব-টঙ্গী ৭০ কিলোমিটার ও ভৈরব-সরারচর পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার রেলপথে ছোট-বড় মোট ১৯টি স্টেশন রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের আধুনিকায়নসহ সেবার মান বৃদ্ধি পাওয়ায় যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে অনেক। বর্তমানে এ পথে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে থাকেন। কিন্তু যাত্রীর তুলনায় বগি ও আসনের বরাদ্দ অপ্রতুল হওয়ায় অনেকে বাধ্য হয়ে ট্রেনে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত করে থাকেন। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের লোকজন বিনা টিকেটে ভ্রমণের ইচ্ছায় ট্রেনের ছাদে, বগির মাঝখানে ও হাতলে ধরে যাতায়াত করে থাকেন। ফলে ওই সব লোক দুর্ঘটনার চরম ঝুঁকিতে থাকেন এবং প্রায়ই তাঁরা দুর্ঘটনার শিকার হন।

গত ঈদের ছুটিতে শুধু ১৪০টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে অন্তত ২০৫ জনের। আহতের সংখ্যা ৭২৩ জন। যাদের অনেককে হয়তো চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিরন্তর এগিয়ে চলা সংগঠন সেভ দ্য রোড-এর এক পরিসংখ্যানে সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি নৌ, রেলপথ ও আকাশপথে সংঘটিত দুর্ঘটনার তথ্যও দেয়া হয়েছে। চলতি মাসেও বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর কারণে শুধু বাস উল্টে ও বাসের ধাক্কায় পথচারীসহ ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাসের সঙ্গে ট্রাক, মাইক্রোবাস, কাভার্ডভ্যান, সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত হয় ৮৬ জন। এ ছাড়া ট্রাক, পিকআপ, কাভার্ডভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভটভটি, লেগুনা, নসিমন-করিমন ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ২৯ জন নিহত হয়েছে। শুধু ট্রাকচাপায় নিহত হয় আটজন। এ ছাড়া প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ৩১ জনের প্রাণহানি ঘটে। এদিকে ট্রেন দুর্ঘটনায় তথা রেলপথে ট্রেনে কাটা পড়ে ছয়জন নিহত এবং চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে ৫০ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া নৌপথে ঈদযাত্রায় আটটি দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছে। এবার আকাশপথেও একটি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে কক্সবাজারে নামিয়ে দিয়ে ঢাকায় ফেরার পথে স্থানীয় রিজুখাল এলাকায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে একজন নিহত ও দুজন আহত হয়। এই ঈদে সংঘটিত দুর্ঘটনায় এই লাশের মিছিলে সবাই স্তম্ভিত। বিভিন্ন সময় আকাশ-সড়ক- রেল ও নৌপথে দুর্ঘটনার মতো দুর্যোগসম সমস্যা নিয়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অনীহা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। আমরা প্রায়শই দেখে থাকি দেশের কোনো সমস্যায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জাতীয় ঐক্যের কথা বেশ জোর দিয়ে বলে থাকেন। উদাহরণ হিসেবে গুলশানে জঙ্গি হামলার ঘটনা উল্লেখ করা যেতে পারে। তখন আমরা দেখেছি সরকারি, বিরোধী দল দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যের কথা বলে সরব হয়ে উঠেছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিয়ে যদি তারা আন্তরিক হন তাহলে সড়কের অপঘাতে মৃত্যুর হার কমে আসতে বাধ্য। একই সাথে প্রয়োজন এখন ১. মিরেরসরাই ট্রাজেডিতে নিহতদের স্মরণে ১১ জুলাইকে ‘নিরাপদ পথ দিবস’ ঘোষণা করতে হবে। ২. ফুটপাত দখলমুক্ত করে যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা দিতে হবে। ৩. সড়ক পথে ধর্ষণ-হয়রানি রোধে ফিটনেস বিহীন বাহন নিষিদ্ধ এবং কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ ও জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যতিত চালক-সহযোগি নিয়োগ বন্ধে সংশ্লিষ্ট সকলকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৪. স্থল-নৌ-রেল ও আকাশ পথ দূর্ঘটনায় নিহতদের কমপক্ষে ১০ লাখ ও আহতদের ৩ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ সরকারীভাবে দিতে হবে। ৫. ‘ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স রুল’ বাস্তবায়নের পাশাপাশি সত্যিকারের সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে ‘ট্রান্সপোর্ট পুলিশ ব্যাটালিয়ন’ বাস্তবায়ন করতে হবে। ৬. পথ দূর্ঘটনার তদন্ত ও সাজা ত্বরান্বিত করণের মধ্য দিয়ে সতর্কতা তৈরি করতে হবে এবং ট্রান্সপোর্ট টুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের পূর্ব পর্যন্ত হাইওয়ে পুলিশ, নৌ পুলিশ সহ সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা-সহমর্মিতা-সচেতনতার পাশাপাশি সকল পথের চালক-শ্রমিক ও যাত্রীদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। ৭. ইউলুপ বৃদ্ধি, পথ-সেতু সহ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ে দূর্নীতি প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যাতে ভাঙা পথ, ভাঙা সেতু আর ভাঙা কালভার্টের কারনে নতুন কোন প্রাণ দিতে না হয়।

২০০৭ সালে লোভ-মোহহীন নিরন্তর এগিয়ে চলতে চলতে প্রতিষ্ঠা করেছিলাম সেভ দ্য রোড। যার এখন সারাদেশে ২৭ জেলার পাশাপাশি সকল জেলা উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী। তারা সকল পথকে নিরাপদ করার আন্দোলনে নিবেদিত থাকতে থাকতে এগিয়ে চলছে। সম্প্রতি নৌপথে আর দুর্ঘটনা নয়, নৌ-দুর্ঘটনায় আর নয় কোনো মৃত্যু। চাই নিরাপদ নৌপথ। আর দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চাই কার্যকর ব্যবস্থা। এ দাবি জানিয়ে গতকাল শুক্রবার মুন্সিগঞ্জ, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি জেলায় মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে সেভ দ্য রোড; এই সংগঠনের সদস্যরা ছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনীতিবিদ, নাট্যশিল্পী, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে ৫৫ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটছে। সেভ দ্য রোডও এক গবেষণায় উল্লেখ করেছে, দেশে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় গড়ে ১২ হাজার লোক নিহত ও ৩৫ হাজার আহত হন। অন্যদিকে, বিশ্বব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে প্রতি ১০ হাজার যানবাহনে মৃত্যুর হার ৮৫ দশমিক ৬। বেসরকারি এক হিসাব বলছে, এ বছরের প্রথম সাত মাসেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে ২ হাজার মানুষ। এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সূত্রমতে, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ১২ দেশের মধ্যে প্রতি ১০ হাজার যানবাহনে বাংলাদেশে নিহতের হার সর্বোচ্চ। এ সংখ্যা ১৬৯ জন। সড়ক দুর্ঘটনায় যে কেবল একটি প্রাণের মৃত্যু হচ্ছে তা নয়, এর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেশের মোট জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ২ শতাংশ। দুর্ঘটনায় মোট মৃতের শতকরা ৬০ ভাগ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর, যাদের বয়স ১৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। দুর্ঘটনায় যিনি মারা যাচ্ছেন তার সঙ্গে তার পুরো পরিবারেও নেমে আসছে অনিশ্চয়তার ঘনঘোর অন্ধকার। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ঈদের সময় মহাসড়কে দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে। এবারের ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬ জন মারা যান। আর এর আগে ঈদুল ফিতরের সময় মারা যান ৯৬ জন। প্রতিদিন যেভাবে মহাসড়কে মৃত্যু ঘটছে তা দেখে মনে হচ্ছে দুর্ঘটনায় মরে যাওয়াটা যাত্রীদের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তার যে করুণ অবস্থা! পরিবার নিয়ে বাড়ি যেতে আতঙ্ক বোধ করছি। রাস্তা বিপজ্জনক। তার ওপর ড্রাইভারদের বেপরোয়া ভাব। মহাসড়কগুলোয় যানবাহন বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনাও। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিলে আগামী এক দশকে দুর্ঘটনার সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। সড়ক দুর্ঘটনার দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। তবে আমি মনে করি- সড়ক দুর্ঘটনার ওপর চালিত জরিপ ও গবেষণাপত্র ব্যবহার করে কার্যকর পদক্ষেপ নিলে মানবমৃত্যুর এ মিছিল কমিয়ে আনা সম্ভব। সড়ক র্র্দুর্ঘটনা রোধে যে আইন রয়েছে তা যুগোপযোগী নয়। বহু পুরনো মোটরযান আইনে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এ ছাড়া সড়ক দুর্ঘটনার জন্য করা মামলাগুলোও সাক্ষীর অভাবে বছরের পর বছর ঝুলে থাকে। আসামিরা আইনের ফাঁক গলিয়ে সহজেই জামিনে বেরিয়ে যান। দুর্ঘটনায় অভিযুক্ত ৮৩ শতাংশ আসামি থাকছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এর ফলে চালকদের মধ্যে এক ধরনের বেপরোয়া ভাব দেখা যায়। এ ছাড়া আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের অবহেলা ও উদাসীনতাও সড়ক দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। এদিকে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিল, সড়ক ও জনপথ অধিদফতর এবং বিআরটিএর প্রতিরোধ সেলগুলোর কার্যকর ভূমিকা থাকার কথা থাকলেও আদতে তা নেই। এ ব্যাপারে প্রশাসনের নজরদারি আরও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। মহাসড়কের চার শতাংশ এলাকায় শতকরা ৩৫ ভাগ দুর্ঘটনা ঘটছে। আর দুর্ঘটনার কারণে বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৭ হাজার কোটি টাকা। পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও ব্র্যাকের যৌথ গবেষণা প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশে ৬৯ শতাংশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বাস ও ট্রাক। নিহতদের মধ্যে বাস ও কারের আরোহী ১৯ শতাংশ। তিন চাকার গাড়ির আরোহী ১৬ শতাংশ এবং সাইকেল চালক ৩ শতাংশ। চালকদের ৮১ শতাংশ গাড়ি চালনা শিখছেন অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায়। আর অদক্ষ চালকের কারণে ২০০০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর গড়ে ৩ হাজার ১৩৭ জন দুর্ঘটনাস্থলেই মারা যান। আমার মতে নয়টি কারণ রয়েছে নির্মম সড়ক দূর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যেভ আর তা হলো- বেপরোয়া যান চালানো, চালকের প্রশিক্ষণের অভাব, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, মোটরচালিত যান ও ধীরগতির যানের একই সঙ্গে চলাচল, সড়কের ধারে ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকান্ড, সড়কের নকশায় ত্রুটি, ট্রাফিক আইনের দুর্বল প্রয়োগ, সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতার অভাব, পথচারীর ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ ও আইনি দুর্বলতা। এই বর্তমানের উত্তরণের জন্য সেভ দ্য রোড-এর ৭ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সকল ভ্রমণে নিরন্তর উচ্চারণ চাই- বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়া মুরছাহা ইন্না রাব্বি লা গাফুফুর রাহীম...

মোমিন মেহেদী : চেয়ারম্যান, নতুনধারা বাংলাদেশ-এনডিবি