nagorikkantha

সঞ্জয় কুমার ঘোষ: গণতন্ত্রের প্রধান শর্ত সার্বজনীন, উৎসবমূখর পরিবেশে সমস্ত দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন।

দু:খজনক হলেও সত্য ২০১৪ তে আমরা সেটা দেখতে পাই নাই। কি কারণে পাই নাই তার অনেক ব্যাখ্যা এখনও মানুষের মাঝে বিদ্যমান।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি রোডম্যাপ জাতিকে জানিয়েছে। সেই অনুযায়ী ইতিমধ্যে দেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল গুলোর সাথে সংলাপ হয়েছে। বিএনপি সংলাপে অংশগ্রহণ করেছে। রোডম্যাপ অনুযায়ী ২০১৮ সালে নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণের একটি উৎসবমূখর পরিবেশে একটি নির্বাচনের অপেক্ষায় গোটা জাতী অপেক্ষায় আছে।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা সরাজ বাংলাদেশ সফরে বিএনপির সাথে মিটিং এ বিএনপির নেতা কর্মীরা দুই বছর পরে আবার উজ্জীবিত হয়।

এই মাসের ১২ তারিখে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মিটিং এ বিএনপির চেয়ার পার্সন ১ ঘন্টা ২০ মিনিটের বক্তব্য রাখেন। এই মিটিং এ লোক সমাগমের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। রাজনৈতিক হিসাব রাজনৈতিক ভাবেই আসবে এটাই জাতীর প্রত্যাশা। আওয়ামী লীগও বড় জনসভা করবে এটাই সাভাবিক। আর কতো দিন আমরা অপেক্ষা করব আর এবার ২০১৮ নির্বাচনেই যেন সমস্ত দলের অংশগ্রহণে একটি উৎসবমূখর নির্বাচন হয় এই প্রত্যাশায় কি বলতে পারি টানেলের শেষ গণতন্ত্রের আলো দেখা যায়??

১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ১৬:২৫ পি.এম