nagorikkantha

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের কমতি নেই। মূলত এ দেশটির আগ্রহেই জরুরি বৈঠকে বসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। শুক্রবার ওই বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরান কী করে-না করে তার উপর বিশ্ব চোখ রাখছে।

তবে রাশিয়া ও অন্য কয়েকটি দেশ বলছে ইরানের এ আন্দোলন নিয়ে আন্তজার্তিক সম্প্রদায়ের কোনো মাথাব্যথা নেই।

ইরানে প্রায় সপ্তাহব্যাপী চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই মূলত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক ডাকে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের আন্দোলনকারীদের প্রশংসাও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন।

মার্কিন দূত নিকি হ্যালি বলেছেন, সবার উচিৎ আন্দোলনকারীদের সাহসের প্রশংসা করা ও তাদের বার্তা ছড়িয়ে দেয়া। চলতি এ আন্দোলনকে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট উল্লেখ করে বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়তে পারেন বলেও সতর্ক করেন তিনি।

নিকি বলেন, ইরানকে নোটিশ দেয়া হচ্ছে, তারা কী করবে তার উপর বিশ্বের নজর থাকবে।

তবে রাশিয়া ও ইরানের অভিযোগ একটি দেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে জাতিসংঘকে টেনে আনছে যুক্তরাষ্ট্র।

রুশ দূত ভাসিলি নেবেনজিয়া বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। ইরান তার নিজের সমস্যা নিজেই মোকাবিলা করবে।

দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া এ আন্দোলনে এ পর্যন্ত ২১ জন নিহত হয়েছেন, গ্রেফতার হয়েছেন শতাধিক। ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসেবে, প্রায় ৪২ হাজার মানুষ প্রতিবাদ-আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। এর পাল্টা কর্মসূচিও দিয়ে রাস্তারয় নেমেছে সরকার সমর্থকরা।

ইরানের তরফ থেকে ইতোমধ্যে অভিযোগ উঠেছে একজন সিআইএ কর্মকর্তাই এ আন্দোলনের পেছনে রয়েছেন।

ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনের বিষয়ে প্রশংসামূলক টুইট করেছের মার্কির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।