nagorikkantha

হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গায়। সোমবার সকালে এ জেলায় সর্বনিম্ন ৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার গতিবেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রবল শীতে জীবননগরে ২ জনসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি।

গত এক সপ্তাহে এ জেলায় সূর্যের মুখ সামান্য সময়ের জন্য দেখা গেলেও রোদের উত্তাপ ছড়াতে পারেনি। ফলে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের জীবনযাত্রা। সন্ধ্যা নামতে না নামতেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে এ জেলা। সবথেকে দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষদের। কষ্টে পড়েছে বৃদ্ধ, শিশু, হতদরিদ্র মানুষ ও দিনমজুর। শীতজনিত রোগের প্রকোপও বেড়ে গেছে। ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। এর মধ্যে শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যা বেশি।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শামীম কবির জানান, রোগীদের বেশিরভাগই ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হৃদরোগ, অ্যাজমা নিয়ে আসছেন।

জেলার ত্রাণ-পূর্নবাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে শীতার্ত মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৮ হাজার ৯শ ১৩টি কম্বল বিতরণের জন্য পাওয়া গেছে যার বেশিরভাগই ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়ে গেছে। তবে চাহিদার তুলনায় শীতবস্ত্র অপ্রতুল হওয়ায় বেসরকারি পর্যায়ে শীত বস্ত্র বিতরণের কথা জানিয়েছেন শীতার্তরা।

চুয়াডাঙ্গা জেলা আবহাওয়া অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছামাদুল হক জানান, শীত বাড়ছে। সোমবার সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী দুই থেকে তিনদিন চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা থাকবে। পাশাপাশি ঘন কুয়াশা ও শীতল বাতাস বয়ে যাবে।

০৮ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৩:২৪ পি.এম