nagorikkantha

‘উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে দেশের উন্নয়নের চিত্র জনগণের কাছে তুলে ধরতে শুরু হলো উন্নয়ন মেলা-২০১৮।

বৃহস্পতিবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এই মেলা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে, সম্পৃক্ত হতে হবে।

এর আগে মেলা উপলক্ষে সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত অফিসার্স ক্লাব থেকে শিল্পকলা একাডেমি পর্যন্ত একটি শোভাযাত্রা করা হয়।

এবারের মেলায় ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গঠনে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনসাধারণের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

উন্নয়ন মেলায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পৃথক পৃথক স্টলসহ মেলায় ৯০টির বেশি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সব সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে মেলায় আসা লোকদের সামনে তাদের নিজ নিজ সংস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরা হচ্ছে। সরকারি সংস্থাগুলোর সেবাসমূহ মেলা থেকে সরাসরি দেওয়া হবে।

এ ছাড়াও মেলায় বর্তমান সরকারের ১০টি বিশেষ উদ্যোগকেও জনগণের মাঝে তুলে ধরা হবে। এ ১০টি বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, আশ্রায়ন প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি, সবার জন্য বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, বিনিয়োগ উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপরে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলায় আলোচনা সভা ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হবে। দেশবরেণ্য শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করবে। মেলা চলাকালীন প্রতিদিন বিকেলে আয়োজন করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কুইজ, আলোচনা, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতার।

১১ জানুয়ারী, ২০১৮ ১৩:৩৩ পি.এম