nagorikkantha

একসঙ্গে খাওয়া, বেড়ানো, আড্ডা- প্রেমের শুরুতে এসব স্বপ্নের মতো লাগে। তবে অতিরিক্ত সবকিছুই বিরক্তিকর। প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্কে থেকেও সঙ্গীর কারণে নিজের জন্য সময় বের করাতে না পারাটা পরে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সম্পর্কের শুরুতে সবকিছু অতিরিক্ত না হওয়া পর্যন্ত সব কিছুই রঙিন প্রজাপতি ও সূর্যের আলোর মতো উজ্জ্বল লাগে। নিজের একান্ত সময়গুলোর মধ্যেও যদি সঙ্গী আপনার ‘পশ্চাতে পশ্চাৎ’ ঠেকিয়ে রাখতে চায় তাহলে বুঝতে হবে সে একজন নাছোড়বান্দা মানুষ।

সম্পর্কবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে নাছোরবান্দা মানুষ চেনায় কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল।

* তার সকল পরিকল্পনা কেবল আপনাকে ঘিরে এবং এনমকি তার কোনো বন্ধুর সঙ্গেও তার কোনো পরিকল্পনা নেই।

* আপনি যদি একই লিঙ্গের বন্ধুদের সঙ্গে বা পরিবারের সঙ্গেও সময় কাটানোর কোনো পরিকল্পনা করেন থাকেন তাতেও সে বেশ মনক্ষুণ্ন হয়।

* এমনও হতে পারে যে, তার জন্য আপনাকে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা বাদ দিতে হয়েছে অথবা সে সবসময় আপনার সঙ্গে থাকতে চায়।

* শখ বা আগ্রহের কথা আসলে আপনি খেয়াল করে দেখবেন যে, আগে সে যা পছন্দ করতো এখন তার প্রতি আর কোনো ঝোঁক নেই। তার আগ্রহের জায়গা কেবল আপনি।

* তার প্রতি আপনার ভালবাসা নিয়ে সে সবসময়ই সন্ধিহান। আর আপনি যে তাকে ভালোবাসেন এটা বার বার তাকে বোঝাতে গিয়ে আপনিও ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।

* আপনারা যখন একসঙ্গে থাকেন তখন সবকিছুই খুব ভালো ভাবে চলে। তবে যখন আপনারা একে অপরের থেকে দূরে থাকেন তখনই আবার তার নিরাপত্তাহীনতা ফিরে আসে।

* সে সবসময়ই আপনার কাছ থেকে প্রশংসা শুনতে চায়। নাছোরবান্দা ব্যক্তিরা নিজের বৈধতা সম্পর্কে সচেতন, তাই এটা হতে পারে তাদের চেনার অন্যতম চিহ্ন।

* মাত্র কয়েকবার তার সঙ্গে দেখা হয়েছে বা বেড়াতে গিয়েছেন। তবে এর মধ্যেই আপনাদের ছেলেমেয়ে কোন স্কুলে পড়াশুনা করবে তা ঠিক করে ফেলেছে।

* তার এসএমএস, স্ন্যাপ, লাইক বা পোক’য়ের নোটিফিকেশনে সবসময়ই আপনার ফোন ব্যস্ত থাকে।

উপরের বিষয়গুলো যদি মিলে যায় তবে বুঝতে হবে আপনি একজন একগুঁয়ে, নাছোড়বান্দা মানুষের সঙ্গে প্রেম করছেন। আর এর থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র উপায় হল সঙ্গীকে বুঝিয়ে বলা যে, একত্রে যেমন সময় কাটানোর প্রয়োজন আছে তেমনি যার যারা আলাদা সময়ও কাটানোর প্রয়োজন আছে। আর এটা স্বাস্থ্যকর সম্পর্কের জন্য জরুরি।

১৩ জানুয়ারী, ২০১৮ ১১:১৭ এ.ম