nagorikkantha

চট্টগ্রাম টেস্টে শুরুটা প্রত্যাশামতোই হয়েছে বাংলাদেশের। বিনা উইকেটে ৭২ রান তুলে দলের ভিতটা শক্ত করছিলেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। লঙ্কান বোলারদের সাধারণ মানে নামিয়ে বেশ দ্রুততার সঙ্গেই উঠছিল রান। কিন্তু দিলরুয়ান পেরেরার বলে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক দিয়ে বোল্ড হন তামিম। এরপর দলীয় ১২০ রানে ইমরুল কায়েস এলবিডব্লিউ হলে কিছুটা চাপে পরেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মধ্যাহৃ বিরতি শেষে হাল ধরেছেন মুমিনুল-মুশফিক। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২ উইকেটে ১৭৪।

তামিম খেলেছেন ওয়ানডে মেজাজে। ৫৫ বলে ৫২ রানের ইনিংসে বাউন্ডারি মেরেছেন ৬টি, ছক্কা একটি। অন্যতম অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের কাছ থেকে আরও বেশি কিছু আশা করেছিল দল। কিন্তু তামিম সেই প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। সে তুলনায় ইমরুল ছিলেন অনেকটাই ধীর-স্থির। ঠিক যেমনটা খেলেন তিনি। তবে উইকেটটাও দিয়ে এসেছেন বড় অসময়ে। ‘চায়নাম্যান’ লক্ষ্মণ সানদাকানের বলে বিভ্রান্ত হয়ে এলবিডব্লু। রিভিউ নিলে হয়তো বেঁচে যেতেন। ইমরুলের আউটের সঙ্গে সঙ্গেই মধ্যাহ্ন বিরতির ঘোষণা দেন আম্পায়ার।

এরপর তৃতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৪৭ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন মুশফিক-মুমিনুল। ৬৩ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন মুমিনুল। তিন ইনিংস পর টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৩তম ফিফটির দেখা পেলেন তিনি। অন্যপ্রান্তে ১৬ রান নিয়ে ব্যাট করছিলেন মুশফিকুর।

শ্রীলঙ্কা পাঁচ বোলার ব্যবহার করেছে সকাল থেকে। শুরুর বোলারদের মধ্যে লাহিরু কুমারা বেশ খরুচে। ৩ ওভার বল করে তিনি দিয়েছেন ২৩। সফল দিলরুয়ান পেরেরা। সুরঙ্গা লাকমল সমীহ আদায় করছেন। অভিজ্ঞ রঙ্গনা হেরাথকে এনে বাংলাদেশের রানের চাকায় লাগাম পড়িয়েছেন। সানদাকান যে ভীতি ছড়াবেন তার ইঙ্গিত তিনি দিয়েই দিয়েছেন।

বাংলাদেশ দলকে আজ নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। সাকিব আল হাসানের চোটজনিত অনুপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অধিনায়কত্বের অভিষেক হচ্ছে তাঁর।

টেস্ট অভিষেক হচ্ছে বাঁ হাতি স্পিনার সানজামুল ইসলামের। চট্টগ্রামের স্পিন-উপযোগী উইকেটে তিন স্পিনার নিয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সুযোগ হয়নি আবদুর রাজ্জাকের। একাদশে একমাত্র পেসার হিসেবে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান।