nagorikkanthanagorikkantha

বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মাদার অব হিউম্যানেটি উপাধি সকলকে মানবিক হতে উদ্বুদ্ধ করবে। এই উপাধি প্রাপ্তিতে বিশ্বে বাংলাদেশের সম্মান ও মর্যাদা বেড়েছে। বাংলাদেশের প্রতিটি জনগণকে এই মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রেখে আরো অধিক মানবিক কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের জনগণ শান্তি প্রিয়, বাংলাদেশ সব সময় শান্তির পক্ষে। সম্প্রতি জননেত্রী শেখ হাসিনা মায়ানমারের সংকট নিরসনে এবং সেদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করছেন। মায়ানমার থেকে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে আসা প্রায় ৭ লক্ষ রোহিঙ্গাদের তিনি বাংলাদেশে আশ্রয়, অন্ন, বস্ত্র ও চিকিৎসা প্রদান করে যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন তা বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। সম্প্রতি জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে তিনি মায়ানমারের সংকট নিরসনে ৫ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এই প্রস্তাব গ্রহণ ও সমর্থন করেছেন।

মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে শিশুদেরকে বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শে উজ্জীবিত করে গড়ে তুলতে হবে। এই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কিত লেখা পাঠ্যপুস্তকে আরো অধিক অন্তর্ভূক্ত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

জননেত্রী শেখ হাসিনা মাদার অব হিউম্যানেটি উপাধিতে ভুষিত হওয়ায় এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১২ অক্টোবর সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত আনন্দবন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ কাদের মন্ডল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন সালাম মাহমুদ, সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়া, সংগঠনের সহকারী পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ রশিদ, দৈনিক বিশ্লেষন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া,জাতীয় সাংবাদিক সোসাইটির মহাসচিব এরশাদ খান, বিশ্ব বঙ্গ সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ আবুল খায়ের মিয়া প্রমুখ।

-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

১২ অক্টোবর, ২০১৭ ১৬:৩৪ পি.এম